মেট্রো শহরগুলোর মধ্যে কলকাতায় গতির শৃঙ্খলা সবচেয়ে শক্তিশালী প্রমাণিত হয়েছে: জুনো ইন্ডিয়া রোড সেফটি রিপোর্ট ২০২৬অনুযায়ী

Published:

~ ভারতের মেট্রো শহরগুলোর মধ্যে কলকাতায় সর্বোচ্চ ৯৭ ওভার-স্পিডিং স্কোর রেকর্ড করা হয়েছে, যা শহরের তীব্র যানজট সত্ত্বেও শৃঙ্খলাবদ্ধ ড্রাইভিং আচরণেরই প্রতিফলন।

~ ১৭টি রাজ্য জুড়ে ৪৫ লক্ষ ট্রিপ ও ৫.৫ কোটি কিলোমিটার পথ পাড়ি দেওয়া এবং ২৭ হাজারেরও বেশি ব্যবহারকারীর উপর করা বিশ্লেষণ থেকে আচরণ-ভিত্তিক হস্তক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে।

~ ভারতে সড়ক দুর্ঘটনার ৮০%-এর বেশি চালকের আচরণগত ত্রুটির কারণে ঘটে বলে চিহ্নিত করেছে।

কলকাতা, 27 জুলাই ২০২৬: নতুন যুগের ডিজিটাল বীমা সংস্থা জুনো জেনারেল ইন্স্যুরেন্স ‘ইন্ডিয়া রোড সেফটি রিপোর্ট (আইআরএসআর) ২০২৬’ প্রকাশ করেছে। এই প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বিশ্লেষণ করা সমস্ত মেট্রো শহরগুলির মধ্যে কলকাতা সবচেয়ে শক্তিশালী গতি শৃঙ্খলা প্রদর্শন করেছে, যা সর্বোচ্চ ওভার-স্পিডিং স্কোর ৯৭ এবং সামগ্রিক কম্পোজিট স্মার্টড্রাইভ স্কোর ৯৩ অর্জন করেছে। ১৭টি রাজ্য জুড়ে ৪৫ লক্ষেরও বেশি ট্রিপ, ৫.৫ কোটি কিলোমিটার ড্রাইভিং আচরণ এবং জুনো স্মার্টড্রাইভ অ্যাপের ২৭ হাজারেরও বেশি সক্রিয় ব্যবহারকারীর ডেটা বিশ্লেষণের উপর ভিত্তি করে তৈরি প্রতিবেদনে দেখা গেছে যে, কলকাতার সুশৃঙ্খল ড্রাইভিং আচরণ প্রমাণ করে যে শহরের তীব্র যানজটের মধ্যেও নিরাপদ ড্রাইভিং অভ্যাস বজায় রাখা সম্ভব।

স্মার্টফোন-ভিত্তিক টেলিমেটিক্স প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে তৈরি এই প্রতিবেদনটি অতিরিক্ত গতি, হঠাৎ ব্রেক কষা, দ্রুত গতি বাড়ানো, মোড় ঘোরার সময় অমনোযোগী হওয়া এবং গাড়ি চালকদের বাস্তব জীবনের ড্রাইভিং আচরণের মূল্যায়ন করেছে । প্রাপ্ত ফলাফল এই বৃহত্তর ধারণাকেই শক্তিশালী করে যে, জনতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যের চেয়ে প্রতিটি চালকের নিজস্ব গাড়ি চালানোর অভ্যাস সড়কের ঝুঁকি সম্পর্কে আরও ভালো ধারণা দেয় এবং ভারতজুড়ে সড়ক নিরাপত্তার ফলাফল উন্নত করার জন্য আচরণ-নির্ভর পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তার ওপর আলোকপাত করে।

ভারত সড়ক নিরাপত্তা প্রতিবেদন ২০২৬এর মূল তথ্যসমূহ:

  • বিশ্লেষণ করা সমস্ত মেট্রো শহরগুলির মধ্যে কলকাতা সর্বোচ্চ ৯৭ ওভার-স্পিডিং স্কোর অর্জন করেছে এবং ৯৩-এর একটি সম্মিলিত স্মার্টড্রাইভ স্কোর পেয়েছে, যা ঘনবসতী শহুরে যানজট সত্ত্বেও শক্তিশালী গতি শৃঙ্খলার পরিচয় দিয়েছে।
  • রাত ৮টার পর দ্রুত হ্রাস পাওয়ার আগে দিনের বেশিরভাগ সময় ড্রাইভিং স্কোর স্থিতিশীল থাকে।
  • সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ড্রাইভিং সময় হল রাত ৯টা–১০টা (স্কোর: ৮৬), যেখানে দুপুর ১টা–২টা (স্কোর: ৯৩) সবচেয়ে নিরাপদ।
  • হঠাৎ ব্রেক কষা (৮৭) এবং দ্রুত গতি বাড়ানো (৯১) ভারতীয় চালকদের মধ্যে সবচেয়ে দুর্বল আচরণগত পরামিতি হিসাবে উঠে এসেছে।
  • ড্রাইভিং আচরণের উপর ঋতুগত অবস্থার সীমিত প্রভাব ছিল, গ্রীষ্ম, বর্ষা এবং শীতকালে গড় স্কোর মূলত একই ছিল।

প্রতিবেদন অনুসারে, ভারতে ৮০ শতাংশেরও বেশি সড়ক দুর্ঘটনার জন্য আচরণগত কারণ দায়ী থাকে, যা সচেতনতা, আইন প্রয়োগ এবং প্রযুক্তি-চালিত পদক্ষেপের সমন্বয়ে অতিরিক্ত স্পীড, অমনোযোগিতা এবং অনিরাপদ চালনার মতো বিষয়গুলো মোকাবিলার গুরুত্বকে তুলে ধরছে।

প্রতিবেদনটি সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে জুনো জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের এমডি এবং সিইও, শানাই ঘোষ বলেন, সড়ক নিরাপত্তা ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্যগত চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে, যা জীবন, জীবিকা এবং অর্থনৈতিক উৎপাদনশীলতাকে প্রভাবিত করে জুনো স্মার্টড্রাইভের মাধ্যমে আমরা লক্ষ লক্ষ যাত্রাপথে, চালকদের আচরণ কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেয়েছি এবং একটি বিষয় স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে: সড়ক দুর্ঘটনা প্রায়শই শনাক্তযোগ্য এবং পরিমাপযোগ্য আচরণগত অভ্যাসের কারণে ঘটে থাকে ইন্ডিয়া রোড সেফটি রিপোর্ট ২০২৬ তুলে ধরেছে যে, কীভাবে ডেটা, ড্রাইভিং প্যাটার্ন এবং প্রযুক্তি পরিকাঠামো, আইন প্রয়োগ এবং যানবাহন সুরক্ষা ব্যবস্থার পরিপূরক হিসেবে কাজ করে আরও নিরাপদ সড়ক তৈরি করতে পারে ভারত যখন তার সড়ক নিরাপত্তা লক্ষ্যের দিকে কাজ করছে, তখন চালকদের আচরণ সম্পর্কে বৃহত্তর সচেতনতা তৈরি করা এবং নিরাপদ অভ্যাসকে উৎসাহিত করতে, প্রাণহানি কমাতে এবং ফলাফল উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে

ভারতে প্রতি বছর প্রায় ১.৭৩ লক্ষ সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু ঘটে, যা বিশ্বব্যাপী সড়ক দুর্ঘটনায় মোট মৃত্যুর প্রায় ১১ শতাংশ। অন্যদিকে, সড়ক দুর্ঘটনাগুলো অর্থনৈতিকভাবে ৩–৫% জিডিপির সমপরিমাণ বোঝা সৃষ্টি করে। মোট মৃত্যুর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই ১৮-৪৫ বছর বয়সী মানুষের মধ্যে ঘটে। মোট সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর ৪৪ শতাংশই দু-চাকার যানবাহনের চালক, যেখানে প্রায় ১৯ শতাংশ পথচারী। এটি দুর্বল সড়ক ব্যবহারকারীদের উপর এই দুর্ঘটনার অসম প্রভাবকে তুলে ধরে।

ভারত যখন ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির পরিমান ৫০% কমানোর লক্ষ্যে স্টকহোম ঘোষণা অনুযায়ী তার প্রতিশ্রুতির দিকে কাজ করছে, তখন এই প্রতিবেদনে পরিকাঠামো, আইন প্রয়োগ এবং আচরণগত হস্তক্ষেপের ক্ষেত্রে সমন্বিত পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তার ওপর আলোকপাত করা হয়েছে।

About Zuno General Insurance:

Zuno General Insurance, formerly known as Edelweiss General Insurance, is a new-age digital insurer with an aspiration to reimagine Insurance to make it easy, friendly, and transparent. Amidst all the jargon and seriousness, Zuno is the friendly voice speaking in a language you understand, and listening to what you have to say, stepping in at the right time, so that you don’t have to worry when things don’t go as planned. Zuno is the friend you can always turn to for help, with the confidence that we will always have your back.

At Zuno GI, the focus is on building trust through digital solutions that are intuitive and responsive, using consumer insights and data analytics to drive innovation and experience. Our consumer insight driven strategy focused on customers’ experience; innovative solutions and an intuitive digital platform differentiate us in a competitive market.

Zuno GI started operations in 2018. We have over 9 million customers and a growing omnichannel distribution on digital rails. The company has presence across key digital marketing places and partnerships with Maruti, Tata Motors, Mahindra, Skoda, MG, Volkswagen, Jeep, Royal Enfield, PolicyBazaar, Turtlemint, PhonePe, Paytm, Insurance Dekho, Fedbank Financial Services, Dvara KGFS, Repco Home Finance, MAS financial Services, Renewbuy, Anand Rathi Global Finance, Avanse Financial Services, Spinny, Nido Home Finance, ECL finance, Gujarat Ambija Co-op Bank, Sarvodaya Nagarik Sahakari bank, Mehsana Urban Co-Operative Bank,  Jio insurance brokers, Coverfox, Maibro, ORIX leasing & financial Services India Ltd, SMAS auto leasing India Pvt Ltd.s

Related articles

Recent articles