দেবীপক্ষের শুরুতেই ৭৫০ জনকে বস্ত্র বিতরণ, মানবিক উদ্যোগ আইনজীবী অনিল কুমার দাসের ট্রাস্টের*

Published:

কলকাতা, ১১ অক্টোবর: দেবীপক্ষের প্রথম দিনেই মহতি উদ্যোগ নিল কর্মা সোশ্যাল অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট। দশম বর্ষে পদার্পণ করলো সংস্থার বাৎসরিক বস্ত্রদান কর্মসূচি।শনিবার অপরাহ্নে কৃষ্ণপুরের সমরপল্লীতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া ৭৫০ জন পুরুষ ও মহিলার হাতে নতুন বস্ত্র তুলে দেওয়া হয়। একইসঙ্গে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবন এলাকার ঝড়খালির বাসিন্দাদের মধ্যেও পোশাক বিতরণ করা হয়।সমগ্র অনুষ্ঠানটির নেতৃত্বে ছিলেন ট্রাস্টের অধ্যক্ষ তথা বিশিষ্ট আইনজীবী অনিল কুমার দাস। তাঁর ঐকান্তিক প্রচেষ্টাতেই গত দশ বছর ধরে মহালয়ার পরের রবিবার এই বস্ত্রদান অনুষ্ঠান হয়ে আসছে।অনুষ্ঠানে চলচ্চিত্র পরিচালক বাদল সরকারের পাশে দাঁড়িয়ে অনিল কুমার দাস বলেন, “এটা আমাদের ক্ষুদ্র প্রয়াস। পুরনো ঐতিহ্যকে অনুসরণ করেই আমরা প্রতি বছর এই দিনটি পালন করি। মানুষের পাশে থাকাটাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”এদিনের অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র পরিচালক বাদল সরকার, বৈদিক ও তান্ত্রিক গবেষক ডঃ নীলাদ্রিনারায়ণ বসু, শিক্ষাবিদ শঙ্করজিৎ চক্রবর্তী, শিবু সোম ইন্টারন্যাশনাল শোজ অর্গানাইজার এবং বিশিষ্ট গীতিকার ও সুরকার সহ অন্যান্য বিশিষ্টজনেরা।

দেবীপক্ষের শুরুতেই ৭৫০ জনকে বস্ত্র বিতরণ, মানবিক উদ্যোগ আইনজীবী অনিল কুমার দাসের ট্রাস্টের*


অসুস্থ শরীরেও কর্তব্যে অবিচল, সাংবাদিক মৃত্যুঞ্জয় রায়কে গাড়িতে গিয়ে সংবর্ধনা কর্মা ট্রাস্টের।ভালোবাসার আরেক নাম নেপা দা। আমাদের অত্যন্ত প্রিয় সাংবাদিক মৃত্যুঞ্জয় রায়।শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও গতকাল কর্মা সোশ্যাল অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি হাজির ছিলেন। মঞ্চে ওঠার মতো শারীরিক সামর্থ্য ছিল না, তবু মঞ্চের কাছাকাছি পর্যন্ত আসাটাই ছিল আমাদের কাছে অনেক বড় পাওনা। তাঁর এই উপস্থিতি আমাদের সকলকে আবেগে আপ্লুত করেছে।তাঁর এই নিষ্ঠা ও ভালোবাসাকে সম্মান জানাতে এক অভূতপূর্ব দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো কর্মা ট্রাস্ট। ট্রাস্টের অধ্যক্ষ তথা বিশিষ্ট আইনজীবী অনিল কুমার দাস সমস্ত বিশিষ্ট অতিথিদের নিয়ে মঞ্চ থেকে নেমে এসে সোজা গাড়ির কাছে চলে যান।

গাড়িতে বসেই নেপা দা-কে উত্তরীয়, পুষ্পস্তবক দিয়ে সংবর্ধনা জানানো হয়।সেই মুহূর্তে সেখানে উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র পরিচালক বাদল সরকার, ডঃ নীলাদ্রিনারায়ণ বসু, শিক্ষাবিদ শঙ্করজিৎ চক্রবর্তী সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।এ এক নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত হয়ে রইলো। মঞ্চ নয়, ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা যে মানুষের কাছে পৌঁছে যায়, তা আবারও প্রমাণ করলেন অনিল কুমার দাস।অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকল মা, বোন, দিদি, ভাই-দাদারা মিলে মায়ের কাছে একটাই প্রার্থনা করলাম, আমাদের প্রিয় নেপা দা যেন খুব তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে আবার আমাদের মাঝে ফিরে আসেন।

Related articles

Recent articles